Posts

খুশকি নিরাময়ের কিছু প্রাকৃতিক পদ্ধতি

খুশকি আর কিছুই না , সেটা মাথার ত্বকের ঝরে যাওয়া মৃত চামড়া। মাথা আর কাঁধে প্রচুর খুশকি নিয়ে ঘুরে বেড়ানোটা যেমন বিব্রতকর , তেমনই অস্বস্তিকর। নানা কারণে এ খুশকি সমস্যা দেখা দিতে পারে , যেমন- ফাঙ্গাল ইনফেকশন , অস্বাস্থ্যকর ডায়েট , মানসিক চাপ , হরমোনের ভারসাম্যহীনতা , দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিংবা মাথায় নানা জাতীয় কেমিকেলের অতিরিক্ত ব্যবহার ইত্যাদি। খুশকির প্রাকৃতিক নিরাময়গুলো এর উপশম কিংবা প্রতিরোধ- দু ' ক্ষেত্রেই প্রয়োগ করা যায়। টি ট্রি অয়েল হলো এক ধরণের নেটিভ অস্ট্রেলিয়ান প্ল্যান্ট Melaleuca alternifolia থেকে প্রাপ্ত একটা এসেনশিয়াল অয়েল। এটি শক্তিশালি এন্টি-ফাঙ্গাল এজেন্ট এবং এন্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করতে পারে। টি ট্রি অয়েল শ্যাম্পু খুশকি প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী এক ধরণের প্রাকৃতিক নিরাময় যেটা কি না আপনি আপনার ধারেকাছের প্রাকৃতিক ফুড স্টোরগুলোতে কিংবা কিছু কিছু ওষুধের দোকানেও পাবেন। এছাড়া ৫-১০ ফোটা টি ট্রি এসেনশিয়াল অয়েলের সাথে আট আউন্স গন্ধবিহীন লিক্যুইড ক্যাস্টাইল সাবান যোগে এন্টি-ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু তৈরি করা যেতে পারে। স্বাভাবিক ব্যবহারের মত করেই এই শ্যাম্পু মাথায় প্রয়...

ঘরোয়াভাবে আই-ওয়াশ তৈরির উপায়

  বিভিন্ন ছোটখাট সমস্যায় অনেকেই ঘরোয়া নানা নিরাময় খোঁজেন। যেমন- চোখের কিছু সমস্যা অনেকে ঘরোয়া পদ্ধতিতে মোকাবেলা করতে চান। এসব সমস্যার মধ্যে আছে চোখের এলার্জি , অথবা চোখ লাল হয়ে চুলকানো ইত্যাদি। অনেকে আবার ঘরোয়াভাবে তৈরি আই-ওয়াশকে ক্লান্ত-দেখানো চোখের উপরও ব্যবহার করেন। এতে সে ক্লান্তভাব অনেকাংশেই কেটে যায়।   ঘরায়াভাবে তৈরি আই-ওয়াশের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে , যেনো কোনভাবেই ট্যাপের পানি ব্যবহার না করা হয়। কেননা এসব ট্যাপের পানিতে বিভিন্ন রকম কেমিক্যাল উপস্থিত থাকতে পারে , যেটা কি না আপনার চোখের জন্য ক্ষতিকর। এছাড়া এই আই-ওয়াশের বিভিন্ন উপাদানও ব্যাক্টিরিয়া কর্তৃক দুষিত হতে পারে , যার কারণে এমনকি হতে পারে সিরিয়াস আই-ইনফেকশন !   ঘরোয়াভাবে আই-ওয়াশ প্রস্তুত করার সময় ডিসটিলড ওয়াটার ব্যবহার করাটাই আসলে উচিত , কেননা এটি বিভিন্ন রকম ক্ষতিকর কেমিক্যাল মুক্ত। এবং সাথে এটাও খেয়াল রাখতে হবে- যে কোন প্রিপারেশনই যেনো হয় ফোটানো। এরপর কিছুক্ষণ রেখে দিয়ে ঠান্ডা করে সেটাকে ব্যবহার করা যেতে পারে। এভাবে করা হলে বিভিন্ন ব্যক্টেরিয়া বা কেমিক্যাল দ্বারা চোখ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাটা কমে যায়। ...

হার্টের অসুখ এবং ক্যানসার থেকে বেঁচে থাকার জন্য ৩টি স্বাস্থ্যকর টিপস

  ইদানীং মানুষের অসুস্থ হওয়ার হার কি বেড়ে গেছে ? তা না হলে আমাদের আশেপাশে এতো অসুস্থ মানুষজন আমরা দেখতে পাই কেমন করে ? এর মধ্যে আবার উল্লেখযোগ্য দু ' টি অসুস্থতা বোধহয় ক্যান্সার আর হার্টের বিভিন্ন রোগবালাই। আসলে এটা যতোটা না জেনেটিক্যাল কারণে , তার থেকে বেশি বোধহয় আমাদের আধুনিক লাইফস্টাইলের জন্যে। যাই হোক- চলুন জেনে নেই , আপনার জীবনযাপনে কেমন পরিবর্তন নিয়ে আসা হলে এসব অসুখ বিসুখ অনেক ক্ষেত্রেই এড়িয়ে চলা সম্ভব।   ওজন কমান স্থুলতা হার্ট সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। এটা ব্রেস্ট , কোলন বা অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়িয়ে তুলতে পারে। সুতরাং সুস্থ থাকতে চাইলে আগে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।   এ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার ব্যাপারটা শুধুমাত্র যে ব্যয়ামের মাধ্যমেই করতে হবে- এমনটা নয়। বরং একটা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসও এক্ষেত্রে বেশ জরুরি। প্রসেসড খাবার এবং ফ্রায়েড খাদ্যদ্রব্য পরিহার করুন। যখনই সম্ভব হয় , তখনই অর্গানিক বিকল্পগুলো খোঁজ করুন এবং এলকোহল গ্রহণ কমিয়ে দিন।   সক্রিয় জীবনযাত্রা শুধুমাত্র ব্যয়াম করা মানেই কিন্তু আপনি সক্রিয় জীবন যাপন করছেন-এমনটা নয়। বরং সারাদিন বসে থাকা পরিহার এবং...

কিভাবে দ্রুত বন্ধু তৈরি করবেন?

  আমার জীবনের একটা ঘটনা বলি। জায়গাটা ছিলো ফ্রান্সের নিস শহর। শেষ ট্রেনটাও ততক্ষণে স্টেশন ছেড়ে গেছে। আমি তখন একেবারেই একা , শহর চিনি না , ভাষা জানি না , এমনকি পরিচিতও কেউ নেই। আমার অবস্থা এমন হয়েছিলো যে হয় আমাকে অচেনা অজানা কাউকে গিয়ে তার বাসায় থাকার জন্য অনুরোধ করতে হতো , অথবা ঘুমাতে হতো রাস্তায়। আপনারা হয়তো বলতে পারেন , শহরে কি কোন হোটেল ছিলো না ? এখানেই তবে পুরো ব্যাপারটা খোলাসা করি। আমি আসলে একজন সাইন্টিস্ট। মানুষের আচরণ , সামাজিকীকরন (নেটওয়ার্কিং) আর এডভেঞ্চার- মূলত এগুলো নিয়েই আমার কাজ। তাই সেদিন আমি একটা ব্যাপার পরীক্ষা করে দেখতে চাইছিলাম , আর সেটা হলো- কত দ্রুত আমি একটা অর্থপূর্ণ সম্পর্ক বা বন্ধুত্ব তৈরি করতে সক্ষম !   যাই হোক , নিজের কথা বাদ দিয়ে এ ব্যাপারে আপনাদের কিছু টিপস দেই। বলা বাহুল্য- নীচে যা যা লেখেছি , এর সবই প্রায় বিজ্ঞানভিত্তিক।   লিটমাস টেস্টঃ   ভুল জায়গায় সময় নষ্ট করবেন না। একজন মানুষ আপনার সাথে মিশতে চাইছে কি চাইছে না , কিংবা তাঁদের ব্যক্তিত্ব কেমন , এটা বোঝার জন্য অনেক রকমের পদ্ধতি আছে। যেমন কেউ সৎ নাকি অসৎ , সেটার ব্যাপারে একটা ধারণা পেতে তাক...

গরমে ত্বকের যত্ন

  বাংলাদেশে দিন দিন গরমকালে ভ্যাপসা গরমটা বেড়েই চলেছে। প্রচুর ঘাম আর তীব্র রোদ তো আছেই , মাঝে মাঝে এমন অবস্থা হয় যে দেখা যায় ঘর থেকেই হিট ওয়েভের কারণে বের হওয়া যায় না। খুব স্বাভাবিকভাবেই- এ গরম থেকে আমাদের ত্বকেও নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। চলুন জেনে নেই- সেটা কি রকম !   হিট র‍্যাশঃ গরমে খুবই কমন একটা সমস্যার নাম হিট র‍্যাশ। অনেকেই এ দ্বারা আক্রান্ত হন। ঘামের নালিগুলো আটকে গেলে এ হিট রাশের সমস্যা দেখা দেয় সাধারণত। ঘাম শরীর থেকে বের হতে না পেরে তখন দেখা যায় ত্বকের নীচে আটকা পড়ে যাচ্ছে। সেটা থেকেই চুলকানি এবং র‍্যাশের মত নানা সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এ হিট র‍্যাশ সাধারণত নিজে থেকেই চলে যায় , তবে সতর্কতার জন্য আক্রান্ত অবস্থায় ঢিলেঢালা কাপড় পরে চলাফেরা করুন।   প্রতিকারঃ হিট র‍্যাশ সমস্যা প্রতিকারে আপনার চামড়া ভালো করে ঘষে পরিষ্কার রাখুন। এতে ঘাম নালিকাগুলি আবদ্ধ হয়ে পড়বে না। আর হিট র‍্যাশ দেখা দিলে দিনে দুই বা তিনবার আক্রান্ত স্থানে এলো ভেরা মন্ড(পাল্প) প্রয়োগ করতে পারেন। এটা চুলকানো এবং জ্বালাপোড়ার অনুভূতি দূর করতে ভালো উপকারী।   সান এলার্জিঃ যাদের ত্বক একটু বেশি সং...

যেভাবে অন্যের বিরক্তির কারণ না হয়ে নিজের মতামতটুকু প্রকাশ করবেনঃএকজন সফল ব্যক্তির কৌশল

  আসলে কখন , কোথায় , কার সামনে কি বলা উচিত আর কি বলা উচিত না- সেটা আপেক্ষিক। জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মাঝ দিয়ে আমি একটা জিনিস শিখেছি- আর তা হলো আমাদের প্রত্যকেরই হয়তো আচরণের একটা গ্রহণযোগ্য সীমা আছে। যখনি আমরা কেউ সীমার বাইরে চলে যাই , তখনি আসলে সমস্যা শুরু হয়। আসলে আমাদের এই আচরণের গ্রহণযোগ্য সীমা কেমন হবে- সেটা অনেক কিছুর ওপরই নির্ভর করে। তাই এটা আসলে স্থায়ী বা নির্দিষ্ট কিছু নয়। এই সীমা পরিস্থিতির কারণে বাড়তে পারে , কমতেও পারে। তবে যে জিনিসটা নিশ্চিতিভাবেই এ সীমা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ , সেটা হচ্ছে আপনার ক্ষমতা।এ ক্ষমতারও আবার নানান রকমের প্রকারভেদ হয়। তবে ক্ষমতা যেমনই হোক না কেন , সেটা আপনার হাতে থাকার অর্থই হলো- আপনার আচরণের গ্রহণযোগ্যতার সীমা বেড়ে যাওয়া।আর ক্ষমতা যখন কমবে তখন আপনার সীমাও কমে যাবে। এরকম কমতে কমতে এমন একটা অবস্থা তৈরি হতে পারে- যখন কি না আপনি কথা না বললে উপেক্ষিত থেকে যাবেন , কিন্তু আবার কথা বললেও শাস্তি পাবেন ; একরকম উভয় সংকট বলা যায়। ইংরেজিতে এর নাম হলো " লো পাওয়ার ডাবল বাইন্ড " । যাই হোক- আপনি যদি নিজেকে একজন ক্ষমতাশালী বলে মনে করেন , সেটা আপনার দৃঢ়ত...

বুধবারের মধ্যেই অফিসের সব কাজ গুছিয়ে আনার চার উপায়

  যদি এমন হয় যে- সারা সপ্তাহ ধরে কাজ করার পর শুক্রবারের আগে আরো একটা কাজের চাপমুক্ত দিন পেলেন- তবে মন্দ কি ? শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে , তবে একটু কৌশলীভাবে পরিকল্পনা ও কাজ করা হলে এটা আসলে খুবই সম্ভব। নীচে এমনই কিছু উপায়ের কথা উল্লেখ করা হলো- ১. গোছানো একটা রুটিন তৈরি করুন আপনি চাইছেন বৃহস্পতিবার পুরোপুরি ফ্রি সময় কাটাতে। সেক্ষেত্রে তাই ঐদিন এমন কোন কাজের শিডিউল ফেলবেন না- যে কাজের কারণে অফিসের ফোনকল , মিটিং কিংবা আর কোন ঝামেলা আপনার ঘাড়ে এসে পড়ে। তাই গোটা সপ্তাহের জন্য একটা শিডিউল ঠিক করে নিন এবং সে শিডিউলের ব্যাপারে আপ-টু-ডেট থাকুন। খেয়াল রাখুন আপনার সপ্তাহটা কেমনভাবে এগিয়ে চলছে , বৃহস্পতিবার কাজের চাপমুক্ত থাকার জন্য শিডিউলে কি কি পরিবর্তন আনা প্রয়োজন ইত্যাদি। ২. প্রয়োজনীয় জিনিসের দিকে নজর দিন আগে অনেক সময় আমরা ' আবশ্যক ' বা ' অতি অতি গুরুত্বপূর্ণ ' কাজের ব্যাপারে খেয়াল রাখতে গিয়ে ' প্রয়োজনীয় ' কাজের কথা ভুলে যাই। যারা বৃহস্পতিবার ফ্রি থাকতে চান , তারা সেক্ষেত্রে কৌশলী একটা তালিকা তৈরি করতে পারেন ; যাতে আপনার প্রয়োজনীয় কাজগুলো গুরুত্ব অনুসারে সাজানো থাক...