হার্টের অসুখ এবং ক্যানসার থেকে বেঁচে থাকার জন্য ৩টি স্বাস্থ্যকর টিপস

 

ইদানীং মানুষের অসুস্থ হওয়ার হার কি বেড়ে গেছে? তা না হলে আমাদের আশেপাশে এতো অসুস্থ মানুষজন আমরা দেখতে পাই কেমন করে ? এর মধ্যে আবার উল্লেখযোগ্য দু'টি অসুস্থতা বোধহয় ক্যান্সার আর হার্টের বিভিন্ন রোগবালাই। আসলে এটা যতোটা না জেনেটিক্যাল কারণে, তার থেকে বেশি বোধহয় আমাদের আধুনিক লাইফস্টাইলের জন্যে। যাই হোক- চলুন জেনে নেই, আপনার জীবনযাপনে কেমন পরিবর্তন নিয়ে আসা হলে এসব অসুখ বিসুখ অনেক ক্ষেত্রেই এড়িয়ে চলা সম্ভব।

 

ওজন কমান

স্থুলতা হার্ট সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। এটা ব্রেস্ট, কোলন বা অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়িয়ে তুলতে পারে। সুতরাং সুস্থ থাকতে চাইলে আগে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

 

এ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার ব্যাপারটা শুধুমাত্র যে ব্যয়ামের মাধ্যমেই করতে হবে- এমনটা নয়। বরং একটা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসও এক্ষেত্রে বেশ জরুরি। প্রসেসড খাবার এবং ফ্রায়েড খাদ্যদ্রব্য পরিহার করুন। যখনই সম্ভব হয়, তখনই অর্গানিক বিকল্পগুলো খোঁজ করুন এবং এলকোহল গ্রহণ কমিয়ে দিন।

 

সক্রিয় জীবনযাত্রা

শুধুমাত্র ব্যয়াম করা মানেই কিন্তু আপনি সক্রিয় জীবন যাপন করছেন-এমনটা নয়। বরং সারাদিন বসে থাকা পরিহার এবং সচল থাকাটাও জরুরি। এক ঘন্টা ব্যয়াম করে সারাদিন এক জায়গায় বসে থাকাটা খুব একটা স্বাস্থ্যসম্মত কিছু নয়। রুটিন করে প্রতি দুই ঘন্টায় অন্তত একবার আপনার ডেস্ক থেকে উঠে আসুন।

 

জিমে সময় দেওয়ার থেকো ভালো হয় যদি আপনি সপ্তাহে অন্তত একবার কোন খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকতে পারেন। এক জায়গায় অনেকক্ষণ ধরে থাকার প্রয়োজন হলে কিছু স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ করতে পারেন।

 

সুস্বাস্থ্যের জন্য ইয়োগা জিনিসটাও ভালো উপকারী। এটাঃ

*মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে

*শরীরে ভারসাম্য বজায় রাখতে সহযোগিতা করে

*ফ্রি রেডিকেল দূর করতে পারে

*শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

*বিভিন্ন রোগের মোকাবেলায় উপকারে আসে

 

 

প্রযুক্তির পেছনে অতিরিক্ত সময় দেবেন না

ক্যানসার এবং হার্ট সংক্রান্ত সমস্যার পেছনে দায়ী কারণগুলোর অন্যতম হচ্ছে প্রযুক্তি। ফোন এবং ল্যাপটপ থেকে বিকিরিত ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রশ্মি আপনার মানসিক চাপ (স্ট্রেস) বৃদ্ধি করাসহ শরীরে ফ্রি রেডিক্যাল বাড়িয়ে তুলতে পারে। এতে বিভিন্ন শারীরিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 

আপনার ল্যাপটপ এবং সেল ফোন মাথাসহ শরীরের অন্যান্য সংবেদনশীল অঙ্গসমূহ (যেমনঃ সেক্সুয়াল অর্গান) থেকে দূরে রাখুন। কেননা এর রেডিয়েশন আপনার স্পার্ম কাউন্ট কমিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি এর কার্যক্রমও ব্যাহত করতে পারে।

 

সবশেষে- সক্রিয় ও সুস্থ থাকতে চেষ্টা করুন। একইসাথে রোগবালাইও দূরে রাখতে সচেষ্ট হোন।

 

Do you like this story?

Comments

Popular posts from this blog

সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে জ্বরঠোসা নিরাময়

সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন পদ্ধতিতে ব্রণ সমস্যা মোকাবেলার উপায়

ঠান্ডা আর গলার ব্যাথা সমস্যা দূরীকরণে অসাধারণ আয়ুর্বেদিক সমাধান