শীতকালে আপনার পরিবারের সদস্যদের একজিমা সমস্যা মোকাবেলাঃ আমার পক্ষ থেকে কিছু টিপস
আমার সন্তান অন্য আরো অনেকের মতই সিজনাল একজিমার সমস্যায় ভোগে। গরমে এর প্রকোপ শুরু হলেও সব থেকে বাজে অবস্থা হয় শীতকালে। ভ্যাসেলিন ইনটেনসিভ কেয়ার এসেনশিয়াল হিলিং লোশন এক্ষেত্রে
ত্বককে আর্দ্র ও স্বাস্থ্যকর রাখতে সহায়তা করে।
এম্নিতে আমাদের সকলের চামড়াই শীতকালে একটু বেশি শুষ্ক হয়ে পড়ে; চুলকানি ভাবও প্রবল হয়। তবে আমার ছেলেরটা একটু বেশিই। আমি তাকে যতবার ডাক্তারের কাছে নিয়েছি, তারা শুধু ত্বককে আর্দ্র রাখার কথাই
বলেছে। তবে গত কয়েক বছরে আমি এমন কিছু টিপসের সন্ধান পেয়েছি যেটা কি না ত্বকের শুষ্কতা বা চুলকানি সমস্যা থেকে বাঁচতে সহায়তা করতে পারে।
* আমি তাকে এক দিন পর পর গোসল করাই। তবে গোসলের সময় খেয়াল রাখি যেনো তার ব্যাপ্তিকাল হয় কম এবং পানিও খুব একটা বেশি গরম না হয়।
* আমি তার গা ভেজা থাকতে থাকতেই লোশন মাখাই তারপর সেটাকে মুছে শুকিয়ে ফেলি। আমার কাছে মনে হয়েছে এভাবে করলে ভ্যাসেলিন ইনটেনসিভ কেয়ার এসেনশিয়াল হিলিং লোশনটা ভালোমত শোষিত হয়ে
এবং ত্বকে একটু বেশি সময় ধরে থাকে।
* ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আমি তার ত্বকটাকে আর্দ্র রাখতে চেষ্টা করি। আমি আমার বাসার প্রতিটা রুম এমনকি আমার ব্যাগে পর্যন্ত লোশন নিয়ে ঘুরি। ভ্যাসেলিন ইনটেনসিভ কেয়ার লোশন এর মধ্যে ডিপ হিলিং
ময়েশ্চারাইজার ছাড়াও ভ্যাসেলিন জেলিও আছে যেটা শুষ্ক ত্বকের মোকাবেলায় ভালো কাজ করে।
* আমি আমার ছেলেকে শিখিয়েছি যেনো তার গায়ে কোথাও চুলকাতে হলে সেখানে লোশন মাখে। ত্বকে চুলকালে জ্বলুনি সমস্যা আরো বাড়ে। আমরা তাই চুলকানোর বদলে লোশন মেখে সেটাকে দূর করার চেষ্টা করি।
আমার মেয়ের সমস্যা অবশ্য আমার ছেলের মত অতটা গুরুতর নয়। ছেলের মত তার সারা গায়ে একজিমার সমস্যা হয় না, বরং সেটা হয় শুধু কনুইয়ের ভাঁজে। যেটাই হোক না কেন- আমি উপরে বর্ণিত টিপসগুলোই
অনুসরণ করা চেষ্টা করি। শত হলেও- শিশুরা ভালো থাকলেই, ভালো থাকে মা- তাই নয় কি ! তাছাড়া ত্বক ভালো থাকলে শীতকালের আনন্দটাও পুরোপুরি উপভোগ করা যায়। এম্নিতে ভ্যাসেলিন ইনটেনসিভ কেয়ার
লোশন আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারবেন। এটি পাবেনও আপনার হাতের কাছে, হতে পারে সেটা ওয়ালমার্ট কিংবা বিভিন্ন সুপার শপগুলোতে।
Comments
Post a Comment