সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে জ্বরঠোসা নিরাময়
কয়েকদিন ধরে মন্টুর খুব
জ্বর। কিন্তু জ্বরের চেয়ে তার টেনশন বেশি জ্বরঠোসা নিয়ে। যেমন ব্যাথা, দেখতেও তেমন
বিশ্রি লাগে। ঠোটে কিংবা মুখে ছোট ফোড়ার মত ঠোসা আমাদের কমবেশি সবারই উঠেছে।
জ্বরঠোসা বলে পরিচিত এই ফোড়া ছোটখাট সমস্যা হলেও বেশ ভোগায়। মূলত হার্পিস ভাইরাসের
কারণে এ ঠোসা উঠতে পারে। সাধারণত এ জ্বরঠোসা ঠান্ডা বা মাসিক সময়ের জ্বরের পর অথবা
রোদে অবস্থানের কারণে দেখা দেয়। স্থায়ীভাবে এর হাত থকে নিস্তার না পাওয়া গেলেও
ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি ব্যবহারে এর তীব্রতা হ্রাস কিংবা ঘন ঘন হওয়ার হাত থেকে অন্তত
রেহাই পাওয়া যায়।
জ্বরঠোসা সমস্যা এড়িয়ে
চলার জন্য কিছু খাবার গ্রহণ কমানো, এমনকি সম্ভব হলে সেগুলো
পরিত্যাগ করা উচিত। এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে চকলেট, বিভিন্ন ধরণের বাদাম, ওট্মিল, বিচি, পি-বীজ এবং গমের তৈরি
খাবার। জ্বরঠোসা ওঠার আগে দিয়ে শরীর দুর্বল ও অস্বস্তি লাগার পাশাপাশি চুলকানো, জ্বলুনি, শিরশির করা ইত্যাদি
অনুভূতিগুলো হতে পারে। নীচে জ্বরঠোসা সমস্যা উপশমে কিছু কার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতির কথা
উল্লেখ করা হলো-
১. চুলকানো, জ্বলুনি বা শিরশিরে অনুভূতি হওয়ার সাথে সাথে এলোভেরা গাছের
রস আক্রান্ত স্থানে লাগানো যেতে পারে। অতি সামান্য পরিমাণ এলোভেরা জেলও এ সমস্যায়
খুব কার্যকরী। তৎক্ষণাৎ এ জ্বরঠোসা ভালো করতে বা এর ক্ষত ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে
এলোভেরার এর কোন জুড়ি নেই।
২. আক্রান্ত স্থানে কর্ণ
স্টার্চ পেস্ট ব্যবহারে ভালো ফল পাওয়া যায়। এটিও জ্বরঠোসা উপশমে কার্যকরী।
৩. এর ভাইরাস প্রতিরোধে
বরফ খুব ভালো কাজ করে। এক টুকরো বরফ খন্ড নিয়ে দশ মিনিট আক্রান্ত স্থানে ঘষুন। এক
ঘন্টা পর পর এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করুন।
৪. জ্বরঠোসা মোকাবেলায়
লেমন বামও ব্যবহার করতে পারেন।
৫. ভ্যাসেলিন ব্যবহারেও
ভালো ফল পাওয়া যায়। এটি ঠোসার আর্দ্রতা বাড়িয়ে তুলে সেটাকে নরম করে; ফলশ্রুতিতে ঠোসা ফেটে রক্তক্ষরণ হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়।
৬. জ্বরঠোসায় উইচ হ্যাজেল
ব্যবহারেও আরাম পাওয়া যায়।



Comments
Post a Comment