সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন পদ্ধতিতে ব্রণ সমস্যা মোকাবেলার উপায়




ব্রণ সমস্যায় প্রাকৃতিক নানা উপাদান থেকে তৈরি ঘরোয়া নিরাময়গুলো খুব স্বাভাবিকভাবেই ওষুধের দোকানে পাওয়া বিভিন্ন প্রোডাক্টের চেয়ে  ভালো। তাছাড়া এগুলো দামেও খুব সস্তা (মাঝে মাঝে এমনকি আপনি তাদের একেবারে বিনামূল্যেও পেয়ে যেতে পারেন !)। আপনাকে যা করতে হবে- সেটা হলো একটু চোখকান খোলা রাখা; আশপাশ থেকেই আমরা এসব ঘরোয়া নিরাময়ের বিভিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে পেতে পারি। সুতরাং, নিজের শারীরিক নানা ক্ষতি এড়াতে দোকানের ওষুধের পেছনে ছোটা বন্ধ করে ঘরোয়া নিরাময়ের দিকে ঝুঁকুন।


এই আর্টিকেলে তেমনই কিছু ব্রণ নিরাময়ের ঘরোয়া পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আগেই যেমনটা বলেছি- এসব পদ্ধতি আপনার খরচ কমানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যের পক্ষেও উপকারী। কারণ বাজারে পাওয়া বিভিন্ন রকম ওষুধে উপস্থিত নানা ক্যামিকেল থেকে এসব ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক নিরাময় পুরোপুরি মুক্ত।
সম্পূর্ণ পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াহীনভাবে এবং প্রাকৃতিক উপায়ে আপনার ব্রণ মোকাবিলায় নীচের টিপসগুলো অনুসরণ করুন-
স্রেফ এক বা দুই টেবিল চামচ বাদামের তেল (পিনাট অয়েল) আর একটা লেবু চিপে তার রস বের করে দু'টো একসাথে মিশিয়ে নিন। সে মিশ্রণ আপনার মুখে মাখুন। এরপর ত্রিশ মিনিট পর তা ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।


এছাড়া এক চা-চামচ লেবুর জুসের সাথে এক চা-চামচ দারুচিনিগুড়োর মিশ্রণটাও এক্ষেত্রে ভালো কার্যকর।

তবে ব্রণ সমস্যায় দ্রুত ফল পেতে চাইলে দারুচিনিগুড়ো মধুতে মিশিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করে নিতে পারেন। ঘুমুতে যাওয়ার আগে এ পেস্ট মুখে মেখে নিন এবং গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

উপরে বর্ণিত সবগুলো পদ্ধতিই প্রাকৃতিক এবং পুরোপুরি পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ামুক্ত। সুতরাং, ব্রণ সমস্যায় তা নির্দ্বিধায় ব্যবহার করতে পারেন। তবে দৃশ্যমান ফল পেতে চাইলে পদ্ধতিগুলো টানা ১৫ দিন একনাগাড়ে ব্যবহার করতে হবেতাহলেই আপনার ত্বক হয়ে উঠবে আরো সুন্দর ও ব্রণমুক্ত। 

Do you like this story?

Comments

Popular posts from this blog

সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে জ্বরঠোসা নিরাময়

ঠান্ডা আর গলার ব্যাথা সমস্যা দূরীকরণে অসাধারণ আয়ুর্বেদিক সমাধান