ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ প্রতিরোধ করে তারুণ্য ধরে রাখতে চান? তাহলে এ লেখাটি আপনার জন্য
এটা তো আর অস্বীকার করার কোন উপায় নেই যে- আমরা সবাই একটা সময় গিয়ে বুড়ো হব।
তাহলে চেহারায় তারুণ্যের ছাপ ধরে রাখার উপায়? আসলে বুদ্ধিমানের মত কাজ হলো- এই সত্যকে স্বীকার করে নিয়েই তার মোকাবিলায়
প্রস্তুতি গ্রহণ করা।
বুড়িয়ে যাওয়ার একটা অন্যতম লক্ষণ হলো চেহারায় বয়সের দাগ। এই লেখায় ত্বকে সে
বয়সের ছাপ প্রতিরোধের কিছু ঘরোয়া উপায় এবং আনুষঙ্গিক আরো কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা
হবে।
কোকোনাট মিল্ক
কোকোনাট মিল্ক মুখে মাখানো হলে সেটা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা
রাখতে পারে। মেখেই দেখুন, ধীরে ধীরে আরো উজ্জ্বল হয়ে উঠবে আপনার ত্বক।
এভোক্যাডো মাস্ক
সুন্দর ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় এক ধরণের তেল পাওয়া যায় এভোকেডো থেকে। তাই আপনি
যদি এভোকেডো স্লাইস করে কেটে সেটা মুখে মেখে নেন, তবে ভালো উপকার পাবেন। বয়সের সাথে সাথে আমাদের ত্বক তার আর্দ্রতা হারাতে থাকে, এভোকেডো তেল সে সমস্যা মোকাবেলা
করে আপনার ত্বককে নবীন দেখাতে সাহায্য করে।
দুধ
দুধের ল্যাক্টিক এসিড ত্বকের নতুন কোষ নির্মাণে সহায়তা করে। তাছাড়া এটি
প্রাকৃতিকভাবেই কোমল এবং ত্বকের মৃত কোষ সরিয়ে ফেলতে সক্ষম। এক্ষেত্রে আপনাকে যেটা
করতে হবে,
সেটা হলো- প্রতিবার
মুখ ধোয়ার পর মুখে একটু দুধ ছিটিয়ে নেবেন।
কাঁচা আলু
কাঁচা আলু পিগমেন্ট এবং মুখের দাগ দূরীকরণে কার্যকর। এটা আক্রান্ত স্থানে ঘষে
নিলে এর মাধ্যমে ভালো ফল পাবেন।
হোম মাস্ক
ব্রণ ত্বকের সৌন্দর্য নষ্টের জন্য অনেকাংশে দায়ী। এটিকে মোকাবেলায় গ্লিসারিন, গোলাপ জল (rose water) এবং লেবুর জুসের মিশ্রণ ভালো কাজে
দিতে পারে। এ তিনটি উপাদান সমভাবে মিশিয়ে তৈরি করা মিশ্রণ ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখে
লাগিয়ে নিন, উপকার পাবেন!
মধু
মধু আপনার মুখের বলিরেখা প্রতিরোধে কার্যকর। তাছাড়া খাঁটি মধু আপনার চোখের
চারপাশে মেখে নিলে তা চোখের শ্রান্ত ভাব দূর করে আপনাকে সতেজ দেখাতে সহায়তা করবে।
লেবুর জুস
প্রাকৃতিকভাবেই লেবু একটি কার্যকর পরিষ্কারক পদার্থ। এর রসে ভিটামিন সি থাকে
যা কি না দাঁত, ত্বকের বাদামী দাগ কিংবা কনুইয়ের কালো দাগের বিপরীতে কার্যকর। ভাল ফল পেতে
আক্রান্ত স্থানে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ব্যবহার করুন এবং ১৫ মিনিট পর সেটা ধুয়ে নিন।
ক্যালসিয়াম ডি গ্লুসারেট
ক্যালসিয়াম ডি গ্লুসারেট একটি এন্টি এজিং পদার্থ যেটা কি না বিভিন্ন ফলমূল ও
শাকসবজিতে পাওয়া যায়। এটা বিষাক্ত উপাদান শরীর থেকে দূর করার ক্ষেত্রেও ভালো ফল
দেয়। ব্রকোলি, আপেল,
কমলা, বাধাকপি এবং আঙ্গুর থেকে প্রচুর
ক্যালসিয়াম ডি গ্লুসারেট পেতে পারেন।




Comments
Post a Comment